বন্ধু যখন বোনের জামাই - অধ্যায় ১৯
হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আমি সাজেদা একটা ট্যাক্সি নিলাম বাড়ির উদ্দেশ্যে। গাড়িতে উঠে সাজেদা আমার কাছে জানতে চাইলো
সাজেদা: বড্ড খিদে পেয়েছে, বাড়িতে রান্না হয়েছে?
আমি: না বোধ হয়, তুমি চিন্তা করো না আমি কিছু অর্ডার করে নেবো, তোমার রান্না আছে?
সাজেদা: নাহ ওটি হবে না স্যার, আমর সাথে আমার বাড়ি চলুন, আমি কিছু করে নেবো।
আমি: কিন্তু....
সাজেদা: কোনো কিন্তু না, আমি বলেছি তো যেতেই হবে।
অগত্যা আমাকে যেতেই হলো, ট্যাক্সি থেকে নেমে ভাড়া মিটিয়ে আমি সাজেদা ওদের বাড়ি গেলাম, সাজেদা ঘরে ঢুকেই আমায় বলল
সাজেদা: তুমি ফ্রেস হয়ে নও আমি ততক্ষণ খাবার গরম করি।
আমি বাথরুম এর দিকে গেলাম সাজেদা কিচেন এক গেলো একটু পর বেরিয়ে দেখলাম টেবিল এ গরম গরম খাবার রেডি।
সাজেদা: তুমি বস আমি একটু ফ্রেশ হয়ে নি। তারপর একসাথে খাবো।
আমি একটা চেয়ার টেনে নিয়ে বসলাম। সাজেদা ঘর থেকে কিছু কাপড় নিয়ে টয়লেট এ গেলো। পাঁচ মিনিট পর সাজেদা বেরিয়ে এলো বেশ টাইট একটা নাইটি পরে মাথার চুলগুলো খোলা নাইটি টা লাল আর ওর শরীরের সাথে সেটে আছে, ওর কার্ভি ফিগার আমাকে চোখ সরাতে দিচ্ছিল না, সাজেদা মুছি হেসে
সাজেদা: কি দেখছেন সাহেব?
আমি লজ্জায় মাথা নিচু করে নিলাম।
সাজেদা: বারান্দায় গিয়ে সব কাপড় মেলে দিয়ে খাবার ঘরে এসে প্লেট দিতে শুরু করলো। আমি তো ওর সৌন্দর্য মুগ্ধ হয়ে দেখতে লাগলাম, দেখলাম সাজেদার মুখেও একটা লজ্জা মিশ্রিত হাসি। আমায় বলল
সাজেদা: আমাকে পরে খাবেন আগে খবর টা খেয়ে নিন।
আমি আবার অপ্রস্তুত হয়ে পড়লাম জলদি জলদি মাথা নিচু করে খেতে শুরু করলাম।
সাজেদা যে হাসছে বুঝতে পারছি, কিন্তু মাথা তোলার সাহস পেলাম না। খাবার শেষ করে বললাম
আমি: তাইলে কাল দেখো হবে, আজকে যাই।
সাজেদা: কোথায় যাবে?
আমি: বাড়ি যাই।
সাজেদা: তুমি সত্যি, বাড়ির চাবি এনেছো?
আমার মনে পড়লো তাড়াহুড়োয় যাবার সময় চাবি নিয়ে নি এর আসার সময় ইমরানের কাছ থেকে চাবি নিতেও মনে ছিল না।
সাজেদা: আমি আগেই জানতাম, আজ তোমার সাথে থাকবো বলে কিছু বলি নি, যাও ওই ঘরে ইমরানের প্যান্ট আর টিশার্ট রেখেছি ওগুলো পরে শুয়ে পরো আমি পড়ে আসছি।