বন্ধু যখন বোনের জামাই - অধ্যায় ২০

🔗 Original Chapter Link: https://xforum.live/threads/বন্ধু-যখন-বোনের-জামাই.196986/post-11729314

🕰️ Posted on Sat Dec 06 2025 by ✍️ Bapzz (Profile)

🏷️ Tags:
📖 750 words / 3 min read

Parent
আমি কি করবো বুঝতে পারছি না ভয় ও হচ্ছে এদিকে একটা শিহরণ ও দিচ্ছে, আবার মা কে নিয়ে একটু টেনশন ও আছে। যাই হোক গুটি গুটি পায়ে আমি রেডি হলাম, তার পর বিছানায় শুয়ে চাদর টা গায়ের ওপর টেনে নিলাম। আকাশ পাতাল ভাবছি এই সময় সাজেদা আসলো। এসেই লাইট অফ করে আমার চাদর এর নিচে ঢুকে পাশে শুয়ে বলল সাজেদা: কি ব্যাপার কি তোমার? আমি: কেনো? কি করলাম? সাজেদা: অত দূরে কেনো? কদিন পর তো আমার সাথেই থাকতে হবে। আমি: একটু কাছে ঘেষে, আসলে মা কে নিয়ে একটু চিন্তা হচ্ছে। সাজেদা: অত চিন্তার কিছু নেই, আরশাদের বারা যখন নিতে পেরেছে, তখন আর ও কত কী করতে হবে। আমি: মনে? সাজেদা: তুমি বোঝো না? আমি: কি? সাজেদা: তোমার মায়ের কি হয়েছে তুমি বোঝো নি? আমি: না, ক্লিয়ার না। সাজেদা: তোমাকে অনেক কিছু শেখাতে হবে, দেখছি। আমি একটু হাসলাম সাজেদা: শোনো তোমার মা আরশাদের নিচে সুচ্ছে আজকাল। আমি কিছুদিন আগেই শুনেছি তোমার মা শিলিগুড়ি গেছিল আরশাদের ওখানে। আমি: নিচে শোয় মানে? আর শিলিগুড়ি গেছিল তোমায় কে বলল? সাজেদা: আমি জানি বাবু। আমি: বলই না। সাজেদা: শুনতে পারবে? আমি: শুনবো। সাজেদা: শোনো তবে, আরশাদ আমার আপন দেওর হলেও ও লোকটা একদম ভালো না, বিয়ের পর দেখছি ও এই বাড়িতে থাকত। ওই পাশেঘরেই, তখন এই মাঝের দেওয়াল টা ছিল না কাঠের পার্টিশন ছিল। একদিন রাতে আমি আর ইমরানের আব্বু করছিলাম, মনে হলো কে যেনো দেখছে ফাঁক দিয়ে। আমি কিছু বললাম না সেদিন তারপর থেকে শুরু হলো উৎপাত যখন ই ইমরানের থাকতো না ও ফুটো দিয়ে তাকিয়ে থাকতো মাঝে মাঝে একটা বড় ফুটো দিয়ে ওর বারা টা বের করে রাখতো।মাস ছয়েক পর ইমরানের আব্বু সব বুঝতে পারল এবং ওকে পিটিয়ে পাঠিয়ে দিলো শিলিগুড়ি। ওখানে ওর চাকরিটা ইমরানের আব্বুই করে দিয়েছিল। তারপর বেটা ওখানেও শোধরায় নি, ওখানে গিয়ে আমার একদিদি ছিল যে ওকে চিনত না, বেটা আমাদের এলবাম দেখে চিনে রেখেছিল বাজারে গিয়ে একদিন তার সাথে দেখা, ব্যস কিছুদিনের মধ্যেই দিদি কে ন্যাংটু করে ফেলল। আমি: তোমায় কে বলল? সাজেদা: আমাদের মারোয়ারি দের মধ্যে কোনো কথা লুকোয় না, কিছুদিনের মধ্যেই লোক জানাজানি হয়ে গেলো। দিদির ফ্যামিলি তে খুব অশান্তি হলো, দিদির ডিভোর্স হলো, দিদি ওর সাথে থাকা শুরু করলো, যেই না পেটে বাচ্চা এলো ব্যস দিদির ওপর অত্যাচার শেষে দিদি ওকে ছেড়ে চাচা চাচীর কাছে গিয়ে উঠল। আমি: তারপর? সাজেদা: তারপর অনেক ঘটনা, তোমার যে পিসি ছিল আমি: কে? সুনু পিসি? সাজেদা: নাহ সুনিতা তো আগাগোড়াই আমেরিকা থাকে, ওর বোন মোহিনী। আমি: মোহিনী পিসি তো আসামে থাকে। সাজেদা: হ্যা, তোমার ঐ পিসি তো 3 বছর আরশাদের সাথে শিলিগুড়ি থাকতো। পরে পেটে বাচ্চা আসলেই শুরু হয় অশান্তি, সেও ফিরে যায় স্বামীর কাছে। আমি: হায়রে সাজেদা: দাড়াও এত সবে শুরু এইপাড়ার অংক মহিলা কেই ও লাগিয়েছে। ওই যে মন্ত্রী সৌগত বাবুর মেয়ে প্রিয়াঙ্কা, এবং ওর মা শিপ্রা, দুজন কে একসাথে লাগত। আমি: এটাও হয়। সাজেদা: হয় হয়। আরশাদ যাদের সাথেই মেশে তাকেই লাগায়, শুধু আমাকে পরে নি, সেই 2021 এ ইমরানের জন্মদিন এ আসলো সেবার তো আমি বুঝতাম বাথরুম এর ভেনটিলেশন দিয়ে আমাকে স্নানের সময় দেখতো, আমি কিছু বলতে পারতাম না, তারপরেই বোধ হয় তোমার মা কেও তুলেছে, অনেকদিন আসতো না এই তোমার বোনের বিয়ে তে এসেছে। আমি: আমার মা কে তো দেখে বুঝি নি। সাজেদা: শোনো তোমার মা ভালো, এ বেটা মেয়েদের লাগাতে এক্সপার্ট। কি ভাবে যে বস করে নেয়। আমি: মা যে শিলিগুড়ি গেছলো তোমায় কে বলল। সাজেদা: আমার এক বান্ধবী আছে, ওই লিগালি আরশাদ কে বিয়ে করেছিল কিন্তু বেশিদিন সংসার করতে পারে নি। ডিভোর্সের পর আরশাদের বাড়িটা দুভাগ হয় ওখানে আমিনা ওর মেয়ে কে নিয়ে থাকে, আর একটা অংশে আরশাদ থাকে, রোজ রাতেই নাকি কোনো না কোনো মহিলা এসে আরশাদের ঘরে। তমা যেদিন গেছিল সেদিন এ আমিনা আমায় বলেছিল তোমার মা নাকি আরশাদের ঘরে, সেদিন নাকি আরশাদ সব চাইতে বেশি করেছে, সারারাত নাকি তোমার মায়ের চিৎকার থামে মানে একতালে চিৎকার করে গেছে। আমার এইসব শুনতে শুনতে কখন যে বারা দাঁড়িয়ে গেছে বুঝি নি, সাজেদা আমার হাফ প্যান্টের ভেতরে হাত ঢুকিয়ে বাড়াটা ঘোপ করে চেপে ধরলো, বলল সাজেদা: ভালোই তো মজা নিচ্ছো আমি লজ্জায় চোখ ফিরিয়ে নিলাম সাজেদা: অত লজ্জার কিছু নেই, এটা তো আমার ই বলে হাত দিয়ে নাড়াতে শুরু করলো, আর বলল শোনো আরশাদের বাড়াটা বিশাল মোটা অত মোটা করো হয় না সাধারণত তোমার মা ওটা পেছনে নিয়েছে, তোমার মা পেছন কি আর আসতো থাকে, আর শোনো তোমার মা যদি প্রেগনেন্ট হয় তাহলে তো আর ইমরান সম্পর্ক রাখবে না তোমার মায়ের সাথে। সাজেদা আরও অনেক কিছু বলছিল, আমি সেদিকে মন দিতে পারছিলাম না কারণ সাজেদার হাত চলা তে আমি চরম মুহুর্তে পৌঁছে গেছিলাম। সাজেদা উঠে বাথরুম এ গেলো বাথরুম থেকে ফিরে আমায় বলল ঘুমও কাক সহকারে আবার হাসপাতাল এ যেতে হবে আমি ওকে করি ধরলাম ও কিছু বললো না, কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘুম চলে আসলো।
Parent